কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়া চাঁদাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম বলেন, কলমিবুনিয়া ও সাংদিয়া গ্রামের গোপাল দাসের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। একইসঙ্গে সুভাষ দাসের জমি দখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তিনি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করে আসছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনৈতিক আদর্শ এবং কারও জমি বা সম্পদ দখল করা তার নীতি ও আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।সংবাদ সম্মেলনে যাদের নাম ব্যবহার করে অভিযোগ তোলার কথা বলা হয়েছে, সেই গোপাল দাস ও সুভাষ দাসসহ কয়েকজন স্থানীয় গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, তাদের সঙ্গে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাদের নাম ব্যবহার করে কারা এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে, সে বিষয়েও তারা অবগত নন।
রফিকুল ইসলাম প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা পর্দার আড়াল থেকে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
তিনি যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।